থাকলে এবং তদানীন্তন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট যদি আজও জীবিত থাকেন তাহলে তাঁকে জিজ্ঞাসা করে কর্নেল তাহেরের ফাঁসির আদেশের একটি খোঁজ আমরা হয়তো পেতে পারতাম
কর্নেল তাহেরের ফাঁসির আদেশের নথির খোঁজ পাওয়া তাই শওকত আলীর লেখার পরও অন্ধকারে কালো বিড়াল খোঁজার মতো অবস্থায় রয়ে গেল
প্রসঙ্গত পাকিস্তান প্রশাসনের জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা সম্ভবত সিনিয়র সেকশন অফিসারের সমপর্যায়ের ছিলেন
একজন সাবেক সিনিয়র সেকশন অফিসার সামরিক আইনের সময়ে কর্নেল তাহেরের ফাঁসি নিয়ে আইনের বিষয়ে জেল কোড পর্যন্ত পরিবর্তনের সাহস রেখে লিখিত চিঠি চালাচালি করেছেন বিষয়টি অবশ্যই চমকপ্রদ ও শিক্ষণীয়
তাঁর লেখার আরেক অংশে বলা হয়েছে বর্তমানে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রসচিবের কিছু বক্তব্য পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে
বক্তব্য থেকে দেখা যায় মন্ত্রণালয় জেল কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছে
লেখাটির অন্যত্র বলা হয়েছে মামলার নথি জেলে কখনোই পাঠানো হয় না
নথি খোঁজা নিয়ে তাঁর লেখার এই মন্তব্য প্রমাণ করে সামরিক শাসনের সময় জেলা ম্যাজিস্ট্রেটগণ সিনিয়র সেকশন অফিসার হিসেবে যা জানতেন বর্তমানের স্বরাষ্ট্রসচিব এর ধারেকাছেও কিছু বুঝ করে পান না যার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জেল কর্তৃপক্ষকে কর্নেল তাহেরের ফাঁসির আদেশের নথির তথ্য দিতে বলা হচ্ছে
কী আশ্চর্য উন্নতি ঘটেছে বাংলাদেশ প্রশাসনের!
কর্নেল তাহেরের ফাঁসির আদেশ প্রদানকারী সামরিক ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার ইউসুফ হায়দার মারা গেছেন
তাঁর সেই ট্রাইব্যুনালে দুজন ম্যাজিস্ট্রেট সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন বলে জানা যায়
আরও জানা যায় ওই দুজন ম্যাজিস্ট্রেট জীবিত আছেন
উদ্যোগ নিলে ওই দুজন সাবেক ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে কর্নেল তাহেরের ফাঁসির আদেশের নথির বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যেতে পারে
জনান্তিকে বলা যায় মহামান্য হাইকোর্ট কর্নেল তাহেরের ফাঁসির আদেশের নথি তলব করেছেন বলে কোনো না কোনো সংবাদপত্রে এ নিয়ে কত না লেখা ছাপা হচ্ছে
এতে অনুসন্ধিৎসু পাঠকেরা হয়তো অনেক কিছুই জানতে পারছেন বিশেষ করে সামরিক আইনের সময়ে বেসামরিক প্রশাসন ভেঙে পড়ার অনেক অজানা তথ্য সাধারণ মানুষ জানছে সংবাদপত্রের মাধ্যমে
এতে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিধির বিস্তৃতি লক্ষণীয়
এমনকি আমাদের মতো মানুষও সামান্য বিষয়ে নিজে কিছু লিখতে পারছি এটিও কম পাওয়া নয়
মুহম্মদ জুলফিকার আলী
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণাকর্মী ও লেখক

চট্টগ্রাম বিটিভির  বেহাল দশা
বিটিভির চট্টগ্রাম কেন্দ্রের অনুষ্ঠান দেখে আশ্চর্য ও হতাশাগ্রস্ত হই
এক যুগেরও আগে সম্প্রচার শুরু করলেও এই কেন্দ্রটির অবস্থা খুব দুর্দশাগ্রস্ত
এখানে আকর্ষণীয় বিনোদন অথবা শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান নেই
অধিবেশনের জন্য অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত যে সময় বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সেই সময়ের মধ্যে ইনডোর অনুষ্ঠান সম্প্রচার করতেই কর্তৃপক্ষের হিমশিম খেতে হয় আউটডোর অনুষ্ঠান সম্প্রচারের সময় কোথায় 
প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা দিলে এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বিটিভি ঢাকা কেন্দ্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এর আমূল পরিবর্তন সাধনে সক্রিয় হলে তথা উপযুক্ত আর্থিক বরাদ্দ পর্যাপ্ত ক্যামেরা ও অন্যান্য সরঞ্জাম দক্ষ দল ও পর্যাপ্ত লোকবলের ব্যবস্থা করা হলে অবশ্যই চট্টগ্রাম কেন্দ্র বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠান প্রতিবেদন প্রামাণ্যচিত্র ও নাটক নিয়মিত নির্মাণ ও সম্প্রচারের মাধ্যমে দেশবাসীর কাছে একটি আকর্ষণীয় চ্যানেলে পরিণত হতে পারে
দেশব্যাপী সম্প্রচারে গেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্র প্রচুর বিজ্ঞাপন পাবে
বাণিজ্যিকভাবে অনেক নাটক ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান পাওয়া যাবে
বাণিজ্যনগর হিসেবে ব্যবসা-বাণিজ্যসংক্রান্ত অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও এই চ্যানেলের ভূমিকা হতে পারে অগ্রণী
কেন্দ্রটিকে রাজস্ব খাতে নিয়ে এই কেন্দ্রের অনুষ্ঠান দেশব্যাপী পূর্ণাঙ্গ সময়ে সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হোক
হুমায়ুন কবির
মতিঝিল ঢাকা

শিক্ষায় ই-বিপ্লব এবং আমাদের প্রস্তুতি
সম্প্রতি ভারতের হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ই-ইন্ডিয়া সম্মেলন ২০১০
ভারতের এযাবৎকালের সর্ববৃহৎ আইসিটি দক্ষযজ্ঞ
পাঁচটি ট্র্যাকে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়
এগুলো হচ্ছে ই-গভর্ন্যান্স ডিজিটাল লার্নিং ই-হেলথ টেলিসেন্টার ফোরাম এবং ই-এগ্রিকালচার
ডিজিটাল লার্নিংয়ের আবার তিনটি সাব-ট্র্যাক স্কুল এডুকেশন হায়ার এডুকেশন ও ভোকেশনাল ট্রেনিং অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট
সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ডিজিটাল দশকের জন্য ভারতকে সামর্থ্যবান করা
২০১১ থেকে ২০২০ সালকে ডিজিটাল দশক হিসেবে চিহ্নিত করে তাঁরা এটিকে বলছেন রূপকল্প ২০২০
রূপকল্প কী তার কিছুটা নমুনা পাওয়া গেল ভারতীয় আইটি-সচিব আর চন্দ্রশেখরের বক্তব্যে
২০২০ সালের মধ্যে সব ভারতীয়কে মৌলিক অধিকার হিসেবে আইটি সাক্ষরতা প্রদান করা হবে
ভারতের তরুণ জনগোষ্ঠীকে আইসিটিতে প্রশিক্ষিত করে সারা দুনিয়ায় কাজ করার উপযোগী করে গড়ে তোলা ভারতের আইটি নীতিমালার একটি লক্ষ্য
স্বল্প সময়ে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ও ব্রডব্যান্ড সংযোগসহ শক্তিশালী আইসিটি অবকাঠামো গড়ে তোলার এক মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে সেখানে
ভারত স্বপ্ন দেখে ২০২০ সালে অবশিষ্ট বিশ্ব পেশাগতভাবে দক্ষ জনশক্তির জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীল হবে এবং এ স্বপ্ন বাস্তবায়নের সব প্রস্তুতি তারা নিচ্ছে
এ আসরে যোগ দিতে এসেছে মিসর মালয়েশিয়া শ্রীলঙ্কা মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারত মহাসাগরের অন্তর্গত দ্বীপরাজ্য আন্দামান ও নিকোবরের ই আয়োজন সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে
সম্মেলনে প্রকাশিত তথ্যমতে কেরালা ও অন্ধ্র প্রদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্রডব্যান্ড সংযোগ রয়েছে
শ্রীলঙ্কার আইসিটি নীতিমালার লক্ষ্য প্রবেশাধিকার সমদর্শিতা ও উৎকর্ষ
১৯৯৮ সালে প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান মিলে আইসিটি শিক্ষায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি পিপিপি প্রতিষ্ঠিত হয়
শিক্ষায় আইসিটির ব্যবহার সম্প্রসারণে কমিউনিটি সেন্টার ও টেলিসেন্টারগুলোকে দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগানো হয়েছে
এ কর্মকাণ্ডে পিপিপি সে দেশে একটি সফল গল্প
কেরালায় শতভাগ শিক্ষার্থীর বিদ্যালয়ে ভর্তির সাফল্যগাথার পেছনেও রয়েছে পিপিপি
রাষ্ট্রীয় সর্বশিক্ষা অভিযান কর্মসূচির পুরোধা ব্যক্তিত্ব ভারত সরকারের যুগ্ম সচিব সুভাষ সি খুন্তিয়া জানান ২০০৪ সাল থেকে ভারতের বিদ্যালয়ে আইসিটির প্রচলন শুরু হয়েছে
অভিজ্ঞতা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন আইসিটি ব্যবহার করে শ্রেণীকক্ষে যে আকষর্ণীয় ও আনন্দময় পরিবেশ সৃষ্টি করা যায় তার মাধ্যমে জেন্ডারবৈষম্য দূর করা ঝরে পড়া রোধ এবং প্রবেশাধিকার বাড়ানো গেছে
বিজ্ঞানাগারের বিকল্প হিসেবে শ্রেণীকক্ষে আইসিটিকে ব্যবহার করা হচ্ছে
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে আইসিটির মাধ্যমে পর্যাপ্ত সুবিধা দেওয়া যাচ্ছে
সম্মেলনে প্রতিবেশী দেশগুলোর আয়োজন দেখে মনে মনে নিজেদের সঙ্গে একটা তুলনা করার চেষ্টা করেছি
মাধ্যমিক স্তরে আমাদের অর্ধেকেরও বেশি বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎসংযোগ নেই
বিদ্যুৎ-সংযোগসম্পন্ন অনেক বিদ্যালয়ে আবার কম্পিউটার নেই
অনেক বিদ্যালয়ে সরকারিভাবে কম্পিউটার সরবরাহ করা হলেও উপযুক্ত রক্ষণাবেক্ষণ বা শিক্ষক প্রশিক্ষণের অভাবে তা আর ব্যবহারযোগ্য নেই
এক হিসাবে দেখা গেছে আমাদের প্রায় তিন হাজার বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব রয়েছে
কিন্তু এতে প্রবেশাধিকার রয়েছে নবম-দশম শ্রেণীর শুধু কম্পিউটার বিষয়ের শিক্ষার্থীদের
বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল সম্প্রতি এক হাজার ৮০০ বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করেছে
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক হাজার ৪০০ বিদ্যালয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে পাওয়া দুটি করে ল্যাপটপ বিতরণ করেছে
সামর্থ্যবান শহরকেন্দ্রিক কিছু বিদ্যালয় নিজস্ব উদ্যোগে কম্পিউটার সংগ্রহ করেছে
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন টিচিং কোয়ালিটি ইমপ্রুভমেন্ট ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন টিকিউআই প্রকল্পের ১৭টি মোবাইল আইসিটি ল্যাব শিক্ষার্থীদের মধ্যে আইসিটি জনপ্রিয়করণের লক্ষ্যে বিদ্যালয় পর্যায়ে আইসিটি প্রদর্শনীর আয়োজন করছে
সম্প্রতি স্বল্পব্যয়ে শ্রেণীকক্ষে আইসিটির সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে
তা হলো প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েই অন্তত একটি করে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন
এই ক্লাসরুমে অতিরিক্ত উপকরণ হিসেবে থাকবে একটি মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর একটি ল্যাপটপ ও স্পিকার বা সাউন্ডবক্স
এতে শিক্ষকেরা নিজেদের তৈরি আইসিটি উপকরণ ব্যবহার করে অত্যন্ত আনন্দদায়ক ও কার্যকরভাবে শ্রেণী কার্যক্রম পরিচালনা করবেন
এতে বিমূর্ত বিষয়গুলো শিক্ষার্থীরা সহজে বুঝবে মুখস্থবিদ্যার ওপর নির্ভরশীল হতে হবে না
সব শিক্ষার্থীর মনোযোগ আকর্ষণ করা যাবে শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষা নিশ্চিত হবে শিক্ষার্থীরা পারিপার্শ্বিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে বাস্তব জ্ঞান লাভ করবে এবং শিক্ষার্থীদের শিখন স্থায়ী হবে
অন্যদিকে শিক্ষকেরা আইসিটি ব্যবহারে উৎসাহিত হবেন
তাঁদের ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে
নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী কন্টেন্ট তৈরি ও ক্লাসরুমে ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষকেরা আত্মবিশ্বাসী হবেন
আইসিটি শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন সহজ ও যথাযথভাবে করতে সহায়ক হবে
শিক্ষা ব্যবস্থাপনাও এতে আধুনিক মানসম্মত ও ব্যয়সাশ্রয়ী হয়
ই-ইন্ডিয়া কনফারেন্সের অভিজ্ঞতার আলোকে বলা যায় শিক্ষায় আইসিটি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় আমরা পিছিয়ে আছি
এ অবস্থা নিরসনে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন
এ ক্ষেত্রে আমরা এসব দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারি
সময়ের দাবি মেটাতে আগামী তিন বছরে মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আইসিটি প্রচলনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে
পিপিপির সম্ভাবনাকে এ ক্ষেত্রে কাজে লাগানো যায়
ইনসেনটিভ দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আইসিটি ব্যবহারে উৎসাহিত করা যেতে পারে
সোলার প্যানেল বা ট্রের মাধ্যমে বিদ্যুৎ-সমস্যার বিকল্প সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে
তবে এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় যে চ্যালেঞ্জটি সামনে আসবে তা হচ্ছে আইসিটি ব্যবহারে শিক্ষকের সামর্থ্য
এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এটুআই ও টিকিউআই প্রকল্পের যৌথ উদ্যোগে শিক্ষক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে যা ২০১১ সাল পর্যন্ত চলবে
২০১২ সাল থেকে প্রস্তাবিত টিকিউআই-২ প্রকল্পে আইসিটিতে নিবিড় শিক্ষক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে
আমাদের নতুন প্রজন্মকে একুশ শতকের উপযোগী দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য কার্যকর শিক্ষাপদ্ধতির সঙ্গে আইসিটির ব্যাপক সুযোগও আমাদের কাজে লাগাতে হবে
নতুন প্রজন্মের জন্য উপযুক্ত সে শিখন পরিবেশটি গড়ে তুলতে প্রয়োজন দূরদর্শী পরিকল্পনা সুষ্ঠু বাস্তবায়ন শিক্ষক প্রশিক্ষক শিক্ষার্থী শিক্ষা প্রশাসক নীতিনির্ধারকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রয়াস
মো নজরুল ইসলাম 
সরকারের যুগ্ম সচিব এবং টিকিউআই প্রকল্পের পরিচালক

উচ্চশিক্ষায় বিত্তবানের বাড়তি সুযোগ
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের প্রতি বৈষম্য শিরোনামে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের একটি যৌথ লেখা ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়েছে প্রথম আলোয়
সেখানে লেখকেরা বলেছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ভর্তির ক্ষেত্রে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষার্থীদের সুযোগ দেওয়া উচিত
কিন্তু স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করে না
ফলে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে বাইরের কোনো শিক্ষার্থীর ভর্তি হওয়ার সুযোগ থাকে না
লেখকেরা বলছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে স্নাতক পাস করে মেধাবী শিক্ষার্থীরা যদি পরীক্ষা দিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্নাতকোত্তর কোর্সগুলোতে ভর্তির সুযোগ পেতে চান তাহলে আপত্তি কোথায় যৌক্তিক প্রশ্ন
